স্টেডিয়াম

স্টেডিয়াম

জয় নিয়ে এগিয়ে গেল বার্সেলোনা

ম্যাচের শুরুতেই সব আকর্ষণে জল ঢেলে দিয়েছিল বার্সেলোনা। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসিকে বেঞ্চে রেখেছিলেন কোচ এরনেস্তো ভেলভের্দে। এমনিতেই এই মৌসুমে বড্ড চাপ যাচ্ছিল তাঁর ওপর। তাঁর জাদুতেই লা লিগার শির্ষস্থানে জায়গাটা পাকাপোক্ত করেছে বার্সেলোনা। তাই মেসিকে ছাড়া বাকি দল কেমন খেলে, সেটা বুঝে নিতেই যেন তাঁকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা। সেই পরীক্ষায় উতরে গিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। শেষ ম্যাচেও ২-০ গোলের জয় পেয়েছেন সুয়ারেজ-আলকাসেররা। শক্তিমত্তায় স্পোর্টিং লিসবনের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে কাতালান ক্লাবটি। তবুও বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে এবার তাদের। উল্লেখ্য, আগেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়েছিল বার্সার। পরের রাউন্ডে যেতে লিসবনকেই অলৌকিক কিছু করতে হতো। ২-০ গোলের আধিপত্যের এক জয় দিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল ভেলভের্দের শিষ্যরা। 

বিপিএলে থাকছে কারা?

বিপিএলের প্রথম ধাপের খেলা প্রায় শেষের দিকে। ইতিমধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে শেষ চারে যাচ্ছে কোন দলগুলো। তবে এখনো অনেক হিসাব বাকি। কারণ, শীর্ষ এই চার দলের জায়গা অদলবদল হতে পারে, যার প্রভাব পড়বে দ্বিতীয় রাউন্ডে। খুলনা টাইটানসকে হারিয়ে রংপুর রাইডার্স শেষ চার নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল বিদায় নিশ্চিত করে দিয়েছে সিলেট সিক্সার্স ও রাজশাহী কিংসের। খুলনা, ঢাকা ডায়নামাইটস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস আগেই শেষ চার নিশ্চিত করেছিল। কুমিল্লার শীর্ষে থাকাও নিশ্চিত, যদিও ২ ম্যাচ এখনো বাকি। ১০ ম্যাচে ৮ জয় নিয়ে তাদের পয়েন্ট ১৬। কিন্তু পরের তিনটি দলেরই অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে। দুইয়ে থাকা ঢাকার শেষ ম্যাচ রংপুরের সঙ্গে। ঢাকা জিতলে তাদের দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হবে। তবে জিতলেও রংপুরের দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত নয়। কুমিল্লাকে নিজেদের শেষ ম্যাচে খুলনা হারাতে পারলে দুইয়ে চলে যাবে তারা। আর খুলনা হারলে দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হবে রংপুরের।

ভারতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবী করলো পিসিবি

ভারত-পাকিস্তান বৈরিতা দুই দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ক্রিকেট মাঠে প্রবেশ করেছে অনেক আগেই। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডও শামিল হয়েছে এই যুদ্ধে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ না খেলার অভিযোগ এনে আইসিসির কাছে বিরোধ নিষ্পত্তির নোটিশ পাঠিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে ৭ কোটি ডলার (৫৭৭ কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে পিসিবি। তিন বছর আগে ২০১৪ সালের এপ্রিলে বিসিসিআই ও পিসিবি দুটি সিরিজ খেলার চুক্তি করেছিল। সে বছর নভেম্বরে একটি ও তার পরের বছর ডিসেম্বরে আরও একটা সিরিজ খেলার কথা ছিল। কিন্তু একটি সিরিজও খেলেনি ভারত। বিরোধের নোটিশ পাঠানোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করল পিসিবি। এ বছর মে মাসে আইসিসিকে প্রথম নোটিশ দিয়েছিল তারা।