স্টেডিয়াম

এই সপ্তাহের খেলাধুলা

কোহলিদের অভিনন্দন জানালেন ইমরান খান

পূর্বসূরিরা পারেননি। ৭১ বছর ধরে চেষ্টা করে গেছে ভারত। সবচেয়ে কাছে গিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন কিংবা মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও ফিরতে হয়েছে ব্যর্থ হাতে। অবশেষে সফল হলেন বিরাট কোহলি। কোহলির নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অধরা টেস্ট সিরিজ জিতেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।

শুধু ভারত নয়, এশিয়ার প্রথম দল হিসেবেই অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জিতেছে ভারত। স্বাভাবিকভাবে বিশ্ব ক্রিকেটে চলছে এখন কোহলির ভারত বন্দনা। বাদ গেল না পাকিস্তানও। কোহলি ও তাঁর দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খান। চার ম্যাচ টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে ভারত।

ভারতেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম

ইতিহাস গড়ে ফেলেছে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জিতেছে দেশটি। বিরাট কোহলির অধিনায়কত্বের কাছে ৭১ বছরের অনন্য এক রেকর্ড খুইয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুধু মাঠের পারফরম্যান্সই নয়, মাঠের গৌরবেও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিচ্ছে ভারত। মেলবোর্ন স্টেডিয়ামকে টপকে যাচ্ছে ভারতের একটি নতুন ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড বা এমসিজি সম্পর্কে বলতে গেলে অনায়াসে একটি বিশেষণ ব্যবহার করা যেত; বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার এ গৌরব কেড়ে নিচ্ছে ভারত। গুজরাটের আহমেদাবাদের মোতেরায় বানানো হচ্ছে সরদার প্যাটেল গুজরাট স্টেডিয়াম। নির্মাণকাজ শেষ হলেই এমসিজিকে পেছনে ফেলে দেবে এ স্টেডিয়াম। কারণ, সরদার প্যাটেল স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ দশ হাজার। মেলবোর্ন স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা এক লাখ ২৪জন। এর মাঝে ৯৫ হাজার দর্শক আসনে বসতে পারেন। বাকিদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

‘ডান হাত’ হারালেন জেমি ডে!

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ জেমি ডের সাজানো সংসারে হঠাৎ ভাঙন। হঠাৎ করেই দায়িত্ব ছেড়েছেন দলের ফিটনেস ট্রেনার লিন্ডসে ডেভিস। বাংলাদেশ জাতীয় দলের দায়িত্ব ছেড়ে তিনি যোগ দিয়েছেন সিঙ্গাপুর প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ডুলি পেনগিরান মুদা মাহকোতাতে।

বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই লিন্ডসেকে নিজেই পছন্দ করে বাংলাদেশে এনেছিলেন জেমি। কোচিং স্টাফের মধ্যে লিন্ডসেকে বলা হতো জেমির ‘ডান হাত।’ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তাতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বড় অবদান ছিল লিন্ডসের। তিনি এশিয়ার বড় বড় দলগুলির বিপক্ষে সমান তালে খেলার মতো শারীরিক সামর্থ্য তৈরি করে দিয়েছিলেন খেলোয়াড়দের। কাতারকে বাংলাদেশ হারিয়েছিল। থাইল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করেছিল ১-১ গোলে। প্রথমবারের মতো এশিয়াড ফুটবলের দ্বিতীয় রাউন্ডে নাম লেখানোটা ছিল বড় সাফল্যই। এরপর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপেও বাংলাদেশ দলের ফিটনেসের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।