ইতিহাসের এই দিনে

নারী আন্দোলনের পথিকৃৎসুফিয়াকামাল

কবি, লেখিকা, নারীবাদীওনারীআন্দোলনেরঅন্যতমপথিকৃৎহিসেবেযিনি এক নামে পরিচিত, বলুন তো তিনি কে?

মানবতাওগণতান্ত্রিকমূল্যবোধেরপক্ষেএবংঅন্যায়েরবিরুদ্ধেযিনি সদা সোচ্চার ছিলেন, তিনি বরেণ্য কবি সুফিয়াকামাল।বরিশালেরশায়েস্তাবাদেএকঅভিজাতপরিবারেতিনি জন্মগ্রহণকরেন।সাহিত্যচর্চারপাশাপাশি তিনিনারীমুক্তি, মানবমুক্তিএবংগণতন্ত্রপ্রতিষ্ঠায়নিরলসকাজকরে গিয়েছেনজীবনের অনেকটা সময় ধরে।যে সময় বাঙালিমুসলিমনারীদেরস্কুল-কলেজেপড়ারকোনোসুযোগছিলনা, ঠিক সে সময় তিনি কোন ধরণের প্রাতিষ্ঠানিকশিক্ষা না নেয়া ছাড়াই নানাউত্থানপতনেরমধ্যেদিয়ে স্বশিক্ষায়শিক্ষিতহয়েছেন।বেগমরোকেয়াসাখাওয়াতহোসেনেরআদর্শে এবংকাজে তাঁকে অনুপ্রাণিত করে ভীষণভাবে।

সাহিত্যপাঠেরপাশাপাশিএকটা সময় তিনি সাহিত্যরচনাওশুরুকরেন।১৯২৬সালেতাঁরপ্রথমকবিতাবাসন্তীসে সময়েরপ্রভাবশালীসাময়িকীসওগাতেপ্রকাশিতহয়।১৯৩৮সালেতাঁরপ্রথমকাব্যগ্রন্থ‘সাঁঝেরমায়া’রমুখবন্ধলিখেনকাজীনজরুলইসলাম।বইটিরপ্রশংসাকরেন স্বয়ংরবীন্দ্রনাথঠাকুরও। স্বামীরআকস্মিকমৃত্যুর পরতিনিকলকাতাকর্পোরেশনস্কুলেশিক্ষকতাশুরুকরেনএবং১৯৪২সালপর্যন্তএপেশায়নিয়োজিতথাকেন।১৯৪৭সালেদেশবিভাগেরপরসুফিয়াকামালপরিবারসহঢাকায়চলেআসেন।তারপ্রকাশিতকাব্যগ্রন্থগুলোরমধ্যে- ‘সাঁঝেরমায়া’, ‘মায়াকাজল’, ‘মনওজীবন’, ‘শান্তিওপ্রার্থনা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।ভ্রমণকাহিনী ‘সোভিয়েতদিনগুলি’,স্মৃতিকথা ‘একাত্তুরেরডায়েরি’ অন্যতম।তিনি ৫০টিরওঅধিকপুরস্কারলাভকরেছেন।এরমধ্যেবাংলাএকাডেমি, সোভিয়েতলেনিন, একুশেপদক, বেগমরোকেয়াপদক, জাতীয়কবিতাপুরস্কার, স্বাধীনতাদিবসপদকউল্লেখযোগ্য।

১৯৯৯সালেরআজকের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পূর্ণরাষ্ট্রীয়মর্যাদার সাথে তাঁকে সমাহিতকরাহয।বাংলাদেশীনারীদেরমধ্যেতিনিইপ্রথমএইসম্মানলাভকরেন।