ভ্রমন গল্প

আলীর সুড়ঙ্গ

পার্বত্য আলীকদম উপজেলার প্রাচীন নিদর্শন ও অন্যতম পুরাকীর্তি হল ‘আলীর সুড়ঙ্গ’। রহস্যময় এ সুড়ঙ্গকে ঘিরে নানা কিংবদন্তি ও রূপকথা প্রচলিত আছে। স্থানীয়দের নিকট এটি ‘আলীর সুরঙ্গ’ বা ‘আলীর সুরম’ নামে সমধিক পরিচিত। নানা উপকথা ও রূপকাহিনীর ভিড়ে ইতিহাসের সঠিক তথ্য-উপাত্ত খুঁজে পাওয়া না গেলেও এই কিংবদন্তি ‘আলীর সুড়ঙ্গ’ অন্যতম পুরাকীর্তি হিসাবেই এ উপজেলায় পরিগণিত। আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ দিকের পাহাড়ের নাম ‘আলীর পাহাড়’। এই আলীর পাহাড়েই রহস্যজনক ৪টি সুড়ঙ্গের অবস্থান। এসব সুড়ঙ্গ নিয়ে প্রচলিত আছে নানা রূপকথা ও ভৌতিক কল্পকাহিনী। একই সাথে আছে সত্য কাহিনীও। এ সুড়ঙ্গ দেখতে প্রতিবছর ভিড় করেন দেশের নানা প্রান্তের শত শত পর্যটক ও কৌতুহলি লোকজন। বর্তমানে সুড়ঙ্গগুলো বাদুড় প্রজাতির ঘর। সুড়ঙ্গে যাতায়াতের রাস্তাটি সংকীর্ণ গিরি পথ। শুষ্ক মৌসুমে অসংখ্য দর্শনার্থীরা সুড়ঙ্গ দেখতে যান।

চীনের পরিব্রাজক হিওয়েন সাং তার এক গবেষণায় বলেছেন যে, ‘নদী নাব্য জলাভূমির এ অঞ্চলে প্রাকৃতিক নিদর্শনসমুহ অতি অল্প সময়েই হারিয়ে যায়’। চীনের পরিব্রাজকের বাণীটি আলীর সুড়ঙ্গের বেলায় দৃষ্টান্তের ইঙ্গিত দেয়।

এই সুড়ঙ্গে যেতে হলে প্রথমে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের রাস্তা দিয়ে চকরিয়ায় নামতে হবে। সেখান থেকে আলীকদম গেলেই এই সুড়ঙ্গের খোঁজ পাবেন আপনি।